/ কলাম
একটি শিশুর হাতে যখন প্রথম বই তুলে দেওয়া হয়, তখন তার সামনে খুলে যায় এক নতুন পৃথিবীর দরজা। অক্ষর চেনা থেকে শুরু করে সত্য-মিথ্যার পার্থক্য, ভালো-মন্দের বিচার, স্বপ্ন দেখার সাহস এবং মানুষের মতো মানুষ হয়ে ওঠার শিক্ষা জীবনের এই দীর্ঘ পথচলায় একজন শিক্ষকের ভূমিকা অপরিসীম। একটি জাতির ভবিষ্যৎ কেমন হবে, বাকী অংশ দেখুন
প্রকৃতির এই পৃথিবী শুধু মানুষের নয়। আকাশে উড়ে বেড়ানো পাখি, মাঠে ঘাস খাওয়া গরু, নদীতে ছুটে চলা মাছ, বনে ঘুরে বেড়ানো বন্যপ্রাণী, কিংবা শহরের অলিগলিতে মানুষের উচ্ছিষ্টের ওপর বেঁচে থাকা অসহায় কুকুর-বিড়াল, সবাই এই পৃথিবীর জীবনের অংশ। অথচ মানুষের উন্নয়ন, নগরায়ণ, ভোগবাদ ও অসচেতনতার চাপে প্রতিদিন অসংখ্য প্রাণী হারাচ্ছে নিরাপদ
প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মেই মানুষ জীবনের বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে একদিন বার্ধক্যে উপনীত হয়। শৈশব, কৈশোর, যৌবন, প্রৌঢ়ত্ব পেরিয়ে জীবনের শেষ অধ্যায়ে এসে মানুষ প্রবীণ হয়ে ওঠে। বয়সের এই পর্যায়টি কারও জন্য শান্তি ও প্রশান্তির, আবার কারও জন্য নিঃসঙ্গতা, অসহায়ত্ব আর না-পাওয়ার দীর্ঘশ্বাসের। অথচ প্রবীণরা আমাদের সমাজের বোঝা নন; তাঁরা আমাদের অভিজ্ঞতার
লোকসুর, শাস্ত্রীয় সংগীত আর আধুনিকতার মেলবন্ধনে যিনি সৃষ্টি করেছিলেন স্বতন্ত্র এক সংগীতভুবন উপমহাদেশের সংগীতজগতের কিংবদন্তি শিল্পী শচীন দেব বর্মণের জন্মদিন কাল। ১৯০৬ সালের ১ অক্টোবর কুমিল্লায় জন্ম নেওয়া এই গুণী শিল্পী একাধারে সংগীত পরিচালক, সুরকার, গায়ক ও লোকসংগীতের অনুরাগী ছিলেন। সংগীতপ্রেমীদের কাছে তিনি ‘এস ডি বর্মণ’ নামে পরিচিত হলেও কলকাতার
ভাষা মানুষের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি। মানুষ তার আনন্দ, বেদনা, স্বপ্ন, অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও প্রতিবাদের কথা ভাষার মধ্য দিয়ে প্রকাশ করে। কিন্তু পৃথিবীর সব মানুষ একই ভাষায় কথা বলে না। এই বৈচিত্র্য যেমন মানবসভ্যতার সৌন্দর্য, তেমনি যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি বড় দেয়ালও। সেই দেয়াল ভেঙে মানুষকে মানুষের কাছে নিয়ে আসে যে
২৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ব হার্ট দিবস। মানুষের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর একটি হৃৎপিণ্ডকে ঘিরে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যেই প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হয়। বিশ্ব হার্ট ফেডারেশনের উদ্যোগে ২০০০ সাল থেকে দিবসটি পালনের সূচনা হয়। সেই থেকে প্রতি বছর ২৯ সেপ্টেম্বর নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে হৃদ্‌স্বাস্থ্য সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করা
তথ্য মানুষের ক্ষমতা। সঠিক সময়ে সঠিক তথ্য পাওয়া গেলে একজন নাগরিক যেমন নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে পারেন, তেমনি রাষ্ট্রের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রশ্নও তুলতে পারেন। একটি গণতান্ত্রিক সমাজে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, সরকারি সিদ্ধান্ত, উন্নয়ন প্রকল্প, বাজেট, ব্যয়, সেবা ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড সম্পর্কে নাগরিকের জানার সুযোগ থাকা তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বাস্তবতাকে
তথ্য জানার অধিকার অন্যতম মানবাধিকার। অবাধ তথ্যের সরবরাহ নিশ্চিত ছাড়া গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় না, জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত হয় না, আর জনগণের অংশগ্রহণও অর্থবহ হয় না। রাষ্ট্র জনগণের জন্য এবং জনগণের অর্থেই রাষ্ট্র পরিচালিত হয়। রাষ্ট্রের প্রশাসন কতটা স্বচ্ছ, দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক, তা অনেকাংশেই নির্ভর করে জনগণ সরকারি কর্মকাণ্ড সম্পর্কে কতটা সহজে