/ প্রচ্ছদ
ইতিহাসের পাতায় কিছু মানুষ থাকেন, যাঁদের জীবন কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য কিংবা ব্যর্থতার গল্প নয়; তাঁদের জীবন হয়ে ওঠে একটি জাতির অধিকার আদায়ের ইতিহাস। যাঁরা নিজের স্বাচ্ছন্দ্য, নিরাপত্তা, এমনকি জীবনের দীর্ঘ সময়টুকুও বিসর্জন দেন মানুষের মুক্তির জন্য, তাঁদের অবদান সময়ের সীমানা অতিক্রম করে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বেঁচে থাকে। অলি আহাদ তেমনই বাকী অংশ দেখুন
মানবদেহের কাঠামো গড়ে তোলা হাড় আমাদের দাঁড়াতে, হাঁটতে, চলাফেরা করতে এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা কাজ সম্পন্ন করতে সহায়তা করে। হাড় শুধু শরীরকে আকৃতি দেয় না, বরং গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ অঙ্গকে সুরক্ষা দেয় এবং শরীরের চলাচলে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। অথচ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিংবা নানা শারীরিক ও জীবনযাপনজনিত কারণে এই
বিশ্ব অস্টিওপোরোসিস দিবস প্রতি বছর ২০ অক্টোবর পালিত হয় এবং অস্টিওপোরোসিস এবং বিপাকীয় হাড়ের রোগ প্রতিরোধ, নির্ণয় এবং চিকিত্সার বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নিবেদিত একটি বছরব্যাপী প্রচারাভিযান চালু করে। ইন্টারন্যাশনাল অস্টিওপোরোসিস ফাউন্ডেশন (আইওএফ) দ্বারা সংগঠিত, বিশ্ব অস্টিওপোরোসিস দিবস ক্যাম্পেইনটি ৯০ টিরও বেশি দেশে ক্রিয়াকলাপসহ সারা বিশ্বে অস্টিওপোরোসিস রোগীরা কমিউনিটি ইভেন্ট
প্রতিদিনের জীবনে আমরা অসংখ্য তথ্য ও সংখ্যার মুখোমুখি হই। চাল-ডালের দাম থেকে শুরু করে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, বেকারত্ব, দারিদ্র্য, শিক্ষার হার, স্বাস্থ্যসেবা কিংবা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সবকিছু বুঝতে প্রয়োজন নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান। একটি দেশের বর্তমান অবস্থা জানা, ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করা এবং উন্নয়নের সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়নে পরিসংখ্যানের ভূমিকা অপরিসীম।
বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস হলো পরিসংখ্যান উদযাপনের একটি আন্তর্জাতিক দিবস। জাতিসংঘ-এর পরিসংখ্যান কমিশন সর্বপ্রথম এই দিনটির সূচনা করে। সর্বপ্রথম ২০১০ সালের ২০ অক্টোবর এটি পালিত হয়। প্রতি পাঁচ বছর অন্তর বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস পালন করা হয়। ২০১০ সালে বিশ্বের ১০৩টি দেশ জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস পালন করে। এই দেশগুলির মধ্যে ৫১টি আফ্রিকান
শিক্ষা মানুষের সম্ভাবনা বিকশিত করে, আত্মমর্যাদা বাড়ায় এবং উন্নত জীবনের পথ তৈরি করে। কিন্তু সেই শিক্ষা অর্জনের পরও যখন একজন তরুণ বছরের পর বছর কর্মসংস্থানের অপেক্ষায় থাকেন, তখন তাঁর ব্যক্তিগত স্বপ্নের পাশাপাশি প্রশ্নের মুখে পড়ে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা, অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কৌশল। বাংলাদেশে শিক্ষিত তরুণদের বেকারত্ব এখন কেবল ব্যক্তিগত হতাশার
‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’ কত সহজ একটি বাণী, অথচ তার গভীরে লুকিয়ে আছে মানুষের জীবন, আত্মপরিচয় আর মানবতার এক বিশাল দর্শন। শত বছর পেরিয়ে আজও এই বাণী মানুষের হৃদয়ে আলোড়ন তোলে। মনের গভীরে প্রশ্ন জাগায় আমরা কি সত্যিই মানুষকে ভালোবাসতে শিখেছি? ধর্ম, বর্ণ, জাতপাত আর সামাজিক পরিচয়ের দেয়াল পেরিয়ে
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কিছু কবি আছেন, যাঁদের সৃষ্টি সময়ের গণ্ডি পেরিয়ে মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছে। তাঁদের কবিতায় ফুটে ওঠে স্বপ্ন, সংগ্রাম, মানবতা, আত্মমর্যাদা এবং একটি জাতির আত্মপরিচয়ের আকাঙ্ক্ষা। ফররুখ আহমদ তেমনই একজন মহাশক্তিমান কবি। বাংলা সাহিত্যে তিনি পরিচিত রেনেসাঁর কবি হিসেবে। তাঁর কবিতায় যেমন ছিল ঐতিহ্যের গভীরতা, তেমনি