/ বিশ্বকাপ ফুটবল
গ্রুপপর্বে শতভাগ জয় ও ১০ গোল করে নকআউটে উঠেও সেই দুরন্ত ফর্ম ধরে রেখেছে বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট ফ্রান্স। কিলিয়ান এমবাপের পাগলা ঘোড়া তো চলছেই, একইসঙ্গে কিছুটা আড়ালে পড়ে যাওয়া মাইকেল ওলিসেকেও কেউ থামাতে পারছে না। যার ওপর ভর করে রেকর্ড গড়ছে ফ্রান্সও। সুইডেনকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে ২০১৮ বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা শেষ ষোলোতে বাকী অংশ দেখুন
২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে নরওয়ের রূপকথা শেষ ৩২ এ ফুরিয়ে যায়নি। ডালাস স্টেডিয়ামে তারা আইভরি কোস্টকে হারিয়েছে। আর্লিং হালান্ডের গোলে ২-১ ব্যবধানে শেষ ষোলোর টিকিট কেটেছে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশটি। কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াইয়ে ব্রাজিলের সামনে তাদের কঠিন পরীক্ষা। প্রথমার্ধে আর্লিং হালান্ডের কপাল খারাপই বলতে হয়। তৃতীয় মিনিটে বক্সের সেন্টার থেকে তার
এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে ‘দুর্ভাগা’ দল বলা চলে ইরানকে। যুক্তরাষ্ট্রে সবগুলো ম্যাচের ভেন্যু হলেও রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে শেষ মুহূর্তে তারা বেসক্যাম্প সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। মেক্সিকোর তিজুয়ানায় ছিল তাদের বেসক্যাম্প। মাঠের খেলাতেও দুর্ভাগ্য পিছু ছাড়েনি। বিদায় নিতে হয়েছে গ্রুপ পর্বেই। তবে তিজুয়ানার মানুষরা যেভাবে আতিথেয়তা দিয়েছে, তাতে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ইরান
বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর ম্যাচের আগে লুকাস পাকেতাকে নিয়ে দুঃসংবাদ পেল ব্রাজিল। জাপানের বিপক্ষে হাফটাইমে মাঠ ছাড়া এই মিডফিল্ডারের মঙ্গলবার স্ক্যান করানো হয়। তাতে তার বাঁ ঊরুর পেছনে পেশীর চোট নিশ্চিত হওয়া গেছে। শেষ ষোলোর ম্যাচে পাকেতার খেলা হচ্ছে না। কতদিনের জন্য সাইডলাইনে তিনি থাকবেন তা নিশ্চিত করতে পারেনি ব্রাজিলিয়ান ফুটবল
জার্মানির বিশ্বকাপ স্বপ্ন শেষ হয়েছে অবিশ্বাস্য এক ধাক্কায়। শেষ ৩২ এর লড়াইয়ে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নিয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। আর সেই হতাশায় আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন জার্মানির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল ন্যয়ার। ৪০ বছর বয়সী ন্যয়ার এর আগেও ইউরো ২০২৪ এর পর জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে চলতি
ব্রাজিল-জাপানের রোমাঞ্চকর ম্যাচের ফল এখন ফুটবলভক্তদের কাছে অতীত। এখন বরং তারা পরবর্তী রাউন্ডের প্রতিপক্ষ ও কী ঘটতে যাচ্ছে সেই অঙ্ক কষছে। ম্যাচের প্রথমার্ধে এশিয়ান জায়ান্টদের বিপক্ষে ব্রাজিল ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল। ২০০২ সালের পর এই প্রথমবার নকআউটে পিছিয়ে পড়েও জয় পেল ব্রাজিল, যার পেছনে বড় ভূমিকা ছিল কোচ কার্লো আনচেলত্তির।
ম্যাচে পিছিয়ে থেকেও ঘুরে দাঁড়িয়েছিল জার্মানি। দ্বিতীয়ার্ধে বেড়েছে আক্রমণের সংখ্যাও। কিন্তু একাধিক ভুল, পরিকল্পনার গড়মিলে বাড়েনি গোল সংখ্যা। তাতে ট্রাইব্রেকারে গড়ায় ম্যাচ। প্যারাগুয়ের বিপক্ষে সেই শুটআউটে আরও স্পষ্ট হয় জার্মানির শক্তির ভাঙন। ম্যাচের পুরো ১২০ মিনিটজুড়েই দলটির এসব দুর্বলতাই শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ থেকে বিদায় করেছে। ম্যাচ বিশ্লেষণ করতে গেলে প্রথমেই
ম্যাচের মতো ফল নির্ধারণী টাইব্রেকারেও নাটকীয়তার জন্ম দিলো মরক্কো-নেদারল্যান্ডস। স্নায়ুরক্ষার এই লড়াইয়ে উভয় দলই যেন একের পর এক মিসের মহড়ায় নেমেছিল। মরক্কো মিস করার পর একইভাবে ডাচরাও মিস করেছে। শেষ পর্যন্ত পাঁচটি করে শট নেওয়ার পর ৩-২ ব্যবধানে ডাচদের বিশ্বকাপ থেকে বিদায় জানাল মরক্কো। পাঁচ মিস, এক হাতে ইয়াসিন বুনোর