ম্যাচের মতো ফল নির্ধারণী টাইব্রেকারেও নাটকীয়তার জন্ম দিলো মরক্কো-নেদারল্যান্ডস। স্নায়ুরক্ষার এই লড়াইয়ে উভয় দলই যেন একের পর এক মিসের মহড়ায় নেমেছিল। মরক্কো মিস করার পর একইভাবে ডাচরাও মিস করেছে। শেষ পর্যন্ত পাঁচটি করে শট নেওয়ার পর ৩-২ ব্যবধানে ডাচদের বিশ্বকাপ থেকে বিদায় জানাল মরক্কো।
যেখানে টানা প্রথম শটে গোল করেন নেদারল্যান্ডসের টিউন কুপমেইনার্স। পরের দুটি শটে মিস করেন মরক্কোর নেইল এল আয়নাউয়ি এবং ডাচ ফরোয়ার্ড জাস্টিন ক্লাইভার্ট। সুফিয়ান রাহিমি সমতায় ফেরান মরক্কোকে। নিজেদের তৃতীয় শটে দ্বিতীয় গোল পায় নেদারল্যান্ডসও, দিয়েছেন ভাউট ভেগহোর্স্ট। এরপর শেমসদিন তালবির গোলে মরক্কোকে ফের সমতায় ফেরানোর পর ডাচদের পক্ষে বাইরে শট মেরে বসেন কুইন্টেন টিম্বার্স।
গোলপোস্টে শট নিয়ে মরক্কোর অধিনায়ক আশরাফ হাকিমি নাটকীয়তার জন্ম দেন। এরপর বুনো ঠেকিয়ে দেন সামারভিলের শট। তবে নিজেদের পঞ্চম ও শেষ শটে ইসমায়েল সাইবারি আর ভুল করেননি। গোল দিয়েই জার্সি খুলে বুনো উল্লাসে মেতেছেন। এর আগে ম্যাচের অচলায়তন ছিল ৭২ মিনিট পর্যন্ত। কোডি গাকপো গোল করে প্রথমে ডাচদের এগিয়ে দিয়েছিলেন। ৯১ মিনিটে ইসা দিওপ গোল করে ম্যাচে ফেরান মরক্কোকে।
সবমিলিয়েই ম্যাচে আধিপত্য ছিল মরক্কোর। ৬৮ শতাংশ পজেশনের পাশাপাশি ১১ শটের ৫টি লক্ষ্যে ছিল তাদের। বিপরীতে ডাচরা ৬ শটের দুটি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়। রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে রাউন্ড অব সিক্সটিনে আগামী ৪ জুলাই মরক্কো ও কানাডা মুখোমুখি হবে। আর প্রথম বিশ্বকাপ জিততে না পারার হতাশা নিয়ে ২০৩০ আসর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে ডাচদের।