বিশ্ব ছাত্র দিবস আজ

স্বপ্ন, সংগ্রাম আর আগামীর পৃথিবী গড়ার অঙ্গীকার

শফিকুল আলম সেলিম
প্রকাশের সময় বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬

একটি কলম, একটি বই, এক বুক স্বপ্ন আর চোখভরা প্রত্যাশা এই নিয়েই একজন শিক্ষার্থীর পৃথিবী। তার ছোট্ট ব্যাগে হয়তো থাকে কয়েকটি বই, খাতা আর কলম; কিন্তু হৃদয়ের গভীরে লুকিয়ে থাকে একটি পরিবারকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন, সমাজকে আলোকিত করার প্রত্যয়, দেশকে এগিয়ে নেওয়ার অদম্য আকাঙ্ক্ষা। একজন শিক্ষার্থী শুধু একটি পরিবারের সন্তান নয়, সে একটি জাতির ভবিষ্যৎ, একটি দেশের সম্ভাবনা, একটি সভ্যতার আগামী দিনের নির্মাতা। তাই বিশ্ব ছাত্র দিবস কেবল শিক্ষার্থীদের স্মরণ করার দিন নয়, এটি তাদের স্বপ্ন, সংগ্রাম, অধিকার ও সম্ভাবনাকে নতুন করে উপলব্ধি করার দিন।
শিক্ষার্থী মানেই সম্ভাবনা। শিক্ষার্থী মানেই নতুন করে পৃথিবীকে দেখার সাহস। যে চোখ আজ শ্রেণিকক্ষের জানালা দিয়ে দূর আকাশের দিকে তাকিয়ে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখে, সেই চোখই একদিন আবিষ্কার করতে পারে নতুন কোনো পথ, লিখতে পারে ইতিহাসের নতুন অধ্যায়, বদলে দিতে পারে মানুষের জীবন। আজকের যে কিশোরটি দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বিদ্যালয়ে যায়, যে মেয়েটি নানা সামাজিক বাধা পেরিয়ে শিক্ষার আলোয় নিজেকে গড়ে তোলে, যে তরুণটি রাত জেগে পড়াশোনা করে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন দেখে তারাই আগামী দিনের শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী, সাংবাদিক, কৃষিবিদ, উদ্যোক্তা কিংবা রাষ্ট্রনায়ক।
কিন্তু সব শিক্ষার্থীর পথ কি সমান মসৃণ? সবার কি আছে নির্ভার শৈশব, নিশ্চিন্তে পড়ার পরিবেশ, প্রয়োজনীয় বই কেনার সামর্থ্য কিংবা স্বপ্ন পূরণের মতো আর্থিক সচ্ছলতা? বাস্তবতা হলো, অনেক শিক্ষার্থীর কাছে শিক্ষাজীবন মানে প্রতিদিনের সংগ্রাম। কারও কাছে বিদ্যালয়ে পৌঁছানোই বড় চ্যালেঞ্জ, কারও কাছে শিক্ষার ব্যয় বহন করা কঠিন, আবার কেউ কেউ প্রতিভা ও মেধা থাকা সত্ত্বেও সুযোগের অভাবে পিছিয়ে পড়ে। কারও পড়ার টেবিল আছে, কারও পড়তে হয় কুপির আলোয়; কেউ প্রযুক্তির সহায়তায় পৃথিবীকে হাতের মুঠোয় পায়, কেউ একটি বইয়ের জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা করে।
তবু তারা স্বপ্ন দেখে। কারণ স্বপ্ন দেখার অধিকার কোনো শ্রেণি, পরিবার কিংবা সম্পদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। স্বপ্ন সবার, সম্ভাবনাও সবার।
বিশ্ব ছাত্র দিবস আমাদের সেই বৈষম্যের কথাও মনে করিয়ে দেয়। শিক্ষার অধিকার শুধু সংবিধান, আইন কিংবা নীতিমালার পাতায় লেখা কোনো প্রতিশ্রুতি নয়; এটি প্রতিটি শিশুর জীবনে বাস্তব হয়ে ওঠার দাবি। যে শিশু অর্থের অভাবে বিদ্যালয় ছেড়ে কাজে যোগ দেয়, যে কিশোরী বাল্যবিবাহের শিকার হয়ে পড়াশোনা বন্ধ করতে বাধ্য হয়, যে মেধাবী তরুণ অর্থাভাবে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন বিসর্জন দেয় তাদের প্রত্যেকের অপূর্ণ স্বপ্ন আমাদের সমাজের জন্য একেকটি বেদনার গল্প।
আমরা যখন উন্নত দেশের স্বপ্ন দেখি, তখন ভুলে গেলে চলবে না উন্নয়নের সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি হলো শিক্ষিত, দক্ষ, মানবিক ও বিবেকবান প্রজন্ম। বড় বড় ভবন, প্রশস্ত সড়ক কিংবা আধুনিক প্রযুক্তি একটি দেশকে দৃশ্যমানভাবে এগিয়ে নিতে পারে; কিন্তু সেই উন্নয়নকে অর্থবহ করে তোলে মানুষের জ্ঞান, মনন, নৈতিকতা ও মানবিকতা। আর এই গুণগুলো গড়ে ওঠে শিক্ষার মধ্য দিয়ে।
একজন শিক্ষার্থীকে শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য তৈরি করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। তাকে সত্যকে ভালোবাসতে শেখাতে হবে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে শেখাতে হবে, ভিন্নমতকে সম্মান করতে শেখাতে হবে। তাকে বুঝতে হবে, ভালো ফলাফল জীবনের একটি অর্জন হতে পারে, কিন্তু প্রকৃত শিক্ষার সার্থকতা মানুষের মতো মানুষ হয়ে ওঠার মধ্যে। যে শিক্ষার্থী উচ্চ নম্বর পেয়েও অন্যের কষ্ট বুঝতে শেখেনি, দুর্বলকে সম্মান করতে পারেনি, অন্যায়ের প্রতিবাদ করার সাহস অর্জন করেনি, তার শিক্ষার যাত্রা এখনো অসম্পূর্ণ।
শিক্ষার্থীদের জীবন কেবল বইয়ের পাতায় আটকে থাকা কোনো গল্প নয়। তাদেরও আনন্দ আছে, অভিমান আছে, ভালোবাসা আছে, ভয় আছে, ব্যর্থতার বেদনা আছে। পরীক্ষার ফল খারাপ হলে যে মুখটি মলিন হয়ে যায়, পরিবারের প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারলে যে হৃদয়টি নীরবে কাঁদে, প্রতিযোগিতার চাপে যে তরুণটি নিজের স্বপ্ন হারিয়ে ফেলে তার অনুভূতিগুলোও আমাদের বুঝতে হবে। শিক্ষার্থীদের ওপর প্রত্যাশার পাহাড় চাপিয়ে দিয়ে তাদের মানসিক স্বস্তি কেড়ে নেওয়া কোনোভাবেই সুস্থ শিক্ষাব্যবস্থার পরিচয় হতে পারে না।
একটি শিশুকে যখন বলা হয়, ‘তোমাকে প্রথম হতেই হবে’, তখন সে অনেক সময় শেখার আনন্দের চেয়ে ব্যর্থতার ভয়কে বেশি গুরুত্ব দিতে শুরু করে। অথচ প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মেধা, আগ্রহ ও বিকাশের গতি এক নয়। কেউ গণিতে ভালো, কেউ সাহিত্যে, কেউ সংগীতে, কেউ খেলাধুলায়, কেউ বিজ্ঞান কিংবা প্রযুক্তিতে। সবার হাতে একই মাপকাঠি তুলে দিয়ে তাদের সম্ভাবনাকে বিচার করলে অনেক প্রতিভাই অঙ্কুরেই হারিয়ে যেতে পারে।
বিশ্ব ছাত্র দিবসে তাই আমাদের অঙ্গীকার হওয়া উচিত শিক্ষার্থীদের শুধু প্রতিযোগিতার জন্য নয়, জীবনের জন্য প্রস্তুত করা। তাদের প্রশ্ন করতে দিতে হবে, ভুল করতে দিতে হবে, নতুন কিছু ভাবতে উৎসাহিত করতে হবে। কারণ প্রশ্নহীন শিক্ষা চিন্তাশক্তিকে দুর্বল করে, আর মুক্ত চিন্তার পরিবেশ মানুষকে আবিষ্কার ও উদ্ভাবনের পথে এগিয়ে নেয়।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, প্রতিবাদ ও অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাসও পৃথিবীকে বারবার নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে। অন্যায়, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীরা সাহসের সঙ্গে দাঁড়িয়েছে। ভাষার অধিকার থেকে গণতন্ত্র, সামাজিক ন্যায়বিচার থেকে মানবাধিকারের দাবি বিশ্বের বহু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনে শিক্ষার্থীদের ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে আছে। বাংলাদেশের ইতিহাসেও ছাত্রসমাজের অবদান অনস্বীকার্য। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগ আমাদের মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাসকে গৌরবান্বিত করেছে। ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধেও ছাত্রসমাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। পরবর্তী সময়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলনগুলোতেও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
এই ইতিহাস আমাদের শেখায়, শিক্ষার্থীরা শুধু ভবিষ্যতের নাগরিক নয়; তারা বর্তমানেরও সক্রিয় অংশীদার। তবে তাদের শক্তি যেন জ্ঞান, যুক্তি, মানবিকতা ও সৃজনশীলতার পথে পরিচালিত হয়, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি। শিক্ষাঙ্গন হবে মুক্তবুদ্ধির চর্চার জায়গা, ভয় ও সহিংসতার নয়। সেখানে মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা থাকবে, থাকবে নিরাপদে শেখার পরিবেশ।
আজকের শিক্ষার্থীরা এমন এক পৃথিবীতে বেড়ে উঠছে, যেখানে প্রযুক্তি দ্রুত বদলে যাচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল যোগাযোগ, স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা ও নতুন নতুন আবিষ্কার কাজের ধরন পরিবর্তন করছে। ফলে তাদের সামনে যেমন নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলছে, তেমনি তৈরি হচ্ছে নতুন চ্যালেঞ্জ। শুধু মুখস্থবিদ্যা দিয়ে এই পৃথিবীতে টিকে থাকা কঠিন। প্রয়োজন বিশ্লেষণী চিন্তা, সৃজনশীলতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার এবং পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সামর্থ্য।
কিন্তু প্রযুক্তির সুবিধা যেন কেবল শহরের সচ্ছল শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীও যেন মানসম্মত শিক্ষা, ইন্টারনেট ও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তির সুযোগ পায়। ডিজিটাল বিভাজন কমানো না গেলে শিক্ষাক্ষেত্রে বিদ্যমান বৈষম্য আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে প্রযুক্তির ব্যবহার যেন শিক্ষার্থীদের স্বাধীন চিন্তা, মানবিক সম্পর্ক ও বাস্তব অভিজ্ঞতার বিকল্প হয়ে না দাঁড়ায়, সেদিকেও নজর দিতে হবে।
শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা শিক্ষকদের নয়। পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র সবারই এখানে ভূমিকা রয়েছে। পরিবারকে সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে, তাদের কথা শুনতে হবে, ব্যর্থতার সময় পাশে দাঁড়াতে হবে। শিক্ষকদের পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ, নৈতিকতা ও সৃজনশীলতা বিকাশে সহায়তা করতে হবে। রাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে হবে মানসম্মত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা, পর্যাপ্ত শিক্ষক, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন এবং মেধা বিকাশের সমান সুযোগ।
আমাদের মনে রাখতে হবে, একজন শিক্ষার্থীর ঝরে পড়া মানে শুধু একটি শিশুর পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়া নয়; তার সঙ্গে হারিয়ে যেতে পারে একটি পরিবারের দারিদ্র্য থেকে মুক্তির সম্ভাবনা, একটি সমাজের অগ্রগতির সুযোগ, একটি দেশের সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ। তাই শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখা, ঝরে পড়ার কারণ দূর করা এবং উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের মধ্যে কার্যকর যোগসূত্র গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্ব ছাত্র দিবসের আবেগ কেবল ফুল, শুভেচ্ছা কিংবা আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। এই দিনটি হোক শিক্ষার্থীদের চোখের জল মুছে দেওয়ার অঙ্গীকার, তাদের স্বপ্নকে সম্মান করার প্রতিশ্রুতি এবং বৈষম্যহীন শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার নতুন শপথ। যে শিক্ষার্থী আজ অভাবের কারণে বই কিনতে পারছে না, তার হাতে বই তুলে দেওয়াই হোক দিবসটির সার্থকতা। যে শিক্ষার্থী ভয়ের কারণে নিজের কথা বলতে পারছে না, তাকে নিরাপদ পরিবেশ দেওয়াই হোক আমাদের দায়িত্ব। যে তরুণটি ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশ, তাকে আশার আলো দেখানোই হোক সমাজের মানবিক কর্তব্য।
পৃথিবীর প্রতিটি বড় পরিবর্তনের পেছনে কোনো না কোনো স্বপ্ন থাকে। আর সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার সাহস জোগায় শিক্ষা। আজকের শিক্ষার্থীর হাতে থাকা কলমটি তাই কেবল পরীক্ষার উত্তর লেখার উপকরণ নয়; এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষা, নতুন পৃথিবী নির্মাণের হাতিয়ার, মানবতার পক্ষে দাঁড়ানোর শক্তি।
হয়তো আজ যে ছেলেটি পুরোনো জামা পরে বিদ্যালয়ে যাচ্ছে, একদিন সে বিশ্বমানের বিজ্ঞানী হবে। যে মেয়েটি গ্রামের ছোট্ট বিদ্যালয়ে বসে আকাশের দিকে তাকিয়ে স্বপ্ন দেখে, একদিন সে দেশের নেতৃত্ব দেবে। যে তরুণটি প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে, একদিন সে হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। আমরা জানি না, কোন শিক্ষার্থীর হাত ধরে আগামী দিনের ইতিহাস নতুন পথে এগোবে। কিন্তু আমরা এটুকু জানি, প্রতিটি শিক্ষার্থীর মধ্যেই রয়েছে সম্ভাবনার এক অপার পৃথিবী।
তাই তাদের স্বপ্নকে ছোট করে দেখবেন না। তাদের প্রশ্নকে অবজ্ঞা করবেন না। তাদের ব্যর্থতাকে জীবনের শেষ বলে ঘোষণা করবেন না। বরং তাদের পাশে দাঁড়ান, সাহস দিন, সুযোগ তৈরি করুন। কারণ একজন শিক্ষার্থীকে বাঁচিয়ে রাখা মানে একটি স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখা; একজন শিক্ষার্থীকে শিক্ষিত করে তোলা মানে একটি পরিবারকে আলোকিত করা; আর একটি প্রজন্মকে সঠিক শিক্ষায় গড়ে তোলা মানে একটি জাতির ভবিষ্যৎকে নিরাপদ করা।
বিশ্ব ছাত্র দিবসে পৃথিবীর সব শিক্ষার্থীর প্রতি রইল গভীর ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও শুভকামনা। যারা প্রতিকূলতার মধ্যেও স্বপ্ন দেখছে, যারা অভাবের সঙ্গে লড়াই করে বইয়ের পাতায় ভবিষ্যৎ খুঁজছে, যারা প্রতিদিন নতুন কিছু শেখার জন্য বিদ্যালয়, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটে যাচ্ছে তাদের প্রত্যেকের জন্য পৃথিবী হোক আরও সুন্দর, আরও মানবিক, আরও সম্ভাবনাময়।
শিক্ষার্থীরা শুধু আগামী দিনের আলো নয়, তারাই আজকের পৃথিবীর পরিবর্তনের শক্তি। তাদের স্বপ্ন বাঁচুক, তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হোক, তাদের জ্ঞানের আলোয় দূর হোক অন্ধকার। কারণ শিক্ষার্থীর চোখে যে স্বপ্ন জ্বলে, সেই স্বপ্নের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে একটি জাতির আগামী দিনের সূর্যোদয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ