চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। এর লক্ষ্য প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং যৌথভাবে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সক্ষমতা শক্তিশালী করা।
এতে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরো উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে তিন দেশ যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি করে। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একসঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তোলাই এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য।

তবে চুক্তিতে সামরিক বা নিরাপত্তা সহযোগিতার বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।
শুধু বলা হয়েছে, এর মাধ্যমে তিন দেশের যৌথ নিরাপত্তা জোরদার করা এবং অঞ্চল ও বিশ্বের শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বাড়ানো হবে।তুরস্কের এক কর্মকর্তা বলেছেন, এই চুক্তি সম্পূর্ণ আত্মরক্ষামূলক। এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয় এবং ভবিষ্যতে অন্য আঞ্চলিক দেশও এতে যোগ দিতে পারবে। তিনি আরো বলেন, এটি বিদ্যমান কোনো দ্বিপক্ষীয় বা বহুপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তির বিকল্প নয়।
বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েল ও ইরানের ক্রমবর্ধমান সামরিক তৎপরতা নিয়ে তিন দেশই উদ্বিগ্ন।