যুক্তরাষ্ট্রের টিনাসি অঙ্গরাজ্যে গত ৩০ সেপ্টেম্বর বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ করে ক্রিস্টিয়া পাইক নামে এক নারী খুনির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু শরীরে দুটি ইনজেকশন পুশ করার পরও তিনি বেঁচে যান এবং পরে তড়িঘড়ি করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন।
৫০ বছর বয়সী ক্রিস্টিয়াকে আবারও বন্দি করা হয়েছে দেবোরাহ কে জনসন রিহ্যাবিলেশন সেন্টারে। যেখানে গত ৩০ বছর ধরে আটক আছেন তিনি।
১৯৯৫ সালে নিজের সহপাঠী কোলিন স্লিমারকে হত্যা করেন ক্রিস্টিয়া। এরপর থেকেই কারাগারে কাটছে তার জীবন। যখন তিনি খুন করেন তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে ক্রিস্টিয়া পাইকের শরীরে বিষাক্ত ইনজেকশনগুলো দেওয়া হয়। সাধারণত এগুলো দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে জ্ঞান হারানো এবং ২০ মিনিটের মধ্যে তার মৃত্যু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এরবদলে তিনি বড় বড় নিঃশ্বাস এবং গোঙানোর ভয়ঙ্কর শব্দ করছিলেন। এরপর তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সবাইকে অবাক করে দিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠেন তিনি।
এদিকে ক্রিস্টিয়া সুস্থ হওয়ার পর আবারও তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না সেটি স্পষ্ট নয়। তবে মৃত্যুদণ্ড ব্যর্থ হওয়ার পর আবারও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নজির আছে যুক্তরাষ্ট্রে।