আজ ২৭ জুন, পর্দার তুমুল জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বর জন্মদিন। ১৯৮৫ সালের এই দিনে শরীয়তপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করা এই গুণী তারকা জীবনের ৪১ বছর পূর্ণ করে ৪২ বছরে পদার্পণ করলেন।
সামাজিক মাধ্যমে এদিন প্রিয় অভিনেতাকে শুভেচ্ছায় ভাসাচ্ছেন তার অনুরাগীরা। অনেক নির্মাতা, সহশীল্পিরা সামাজিক মাধ্যমে তার সঙ্গে তোলা ছবি প্রকাশ করে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।

দীর্ঘ দুই দশকের ক্যারিয়ারে অপূর্ব উপহার দিয়েছেন অসংখ্য কালজয়ী নাটক ও টেলিফিল্ম। বিশেষ করে ২০১৭ সালে মিজানুর রহমান আরিয়ান পরিচালিত ‘বড় ছেলে’ নাটকে তার মধ্যবিত্ত তরুণের অসাধারণ ও আবেগঘন অভিনয় দেশের বিনোদন দুনিয়ায় এক অভূতপূর্ব আলোড়ন সৃষ্টি করে। যে কারণে অনেকের কাছে এখন তিনি ঘরের ‘বড় ছেলে’ হিসেবেও পরিচিত।
ব্যক্তিগত জীবনে অপূর্বের জীবনে নানা চড়াই উৎরাই রয়েছে। ২০১০ সালে জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভাকে প্রথম বিয়ে করেন। তবে সেই সংসার বেশিদিন টেকেনি এবং এক বছরের মাথায়, ২০১১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। প্রভার সাথে বিচ্ছেদের পর তিনি একই বছরের জুলাই মাসে নাজিয়া হাসান অদিতিকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন, যার সাথে ২০২০ সালে তার বিচ্ছেদ হয়। তবে তাদের ঘরে রয়েছে একটি পুত্র সন্তান। সেই একমাত্র পুত্রের নাম জায়ান ফারুক আয়াশ।
অপূর্ব এখন নতুন অধ্যায়ে বেশ উচ্ছ্বসিত। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী শাম্মা দেওয়ানকে বিয়ে করেন তিনি। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে তাদের কোলজুড়ে আসে কন্যা সন্তান আনায়া। বর্তমানে নতুন সংসার ও কন্যাসন্তান নিয়ে বর্তমানে সুখে দিন কাটাচ্ছেন এই অভিনেতা; ছেলের সঙ্গেও রয়েছে সুসম্পর্ক। একই দিনে বাবা-ছেলের জন্মদিন নিয়ে এর আগে অভিনেতা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘বাবা-ছেলের একই দিনে জন্মদিন হওয়ায় অনেক খুশি আমি।’ শুধু তাই নয়, কোনো এক বাবা দিবসে অপূর্ব ছেলেকে উদ্দেশ্য করে লিখেছিলেন, ‘আমি তোমাকে যখন দেখি তখনেই চিন্তা করি কিভাবে তুমি আমার মতো দেখতে হলে? কী স্বর্গীয় উপহার আল্লাহ্ আমাকে দিয়েছেন।’
সাম্প্রতিক সময়ে ব্যস্ততা তার ওয়েবফিল্ম নিয়ে। সদ্য মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত ওয়েবফিল্ম ‘হেডলাইন’। ইতমধ্যে বেশ সাড়া পেয়েছে সেটি। রহস্য, রোমাঞ্চ আর খবরের কাগজের আড়ালে লুকিয়ে থাকা কোনো এক গোপন সত্যের সন্ধানে নামছেন জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। তার সঙ্গে সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন ইয়াশ রোহান। আরও রয়েছেন সারিকা সাবরিন, চঞ্চল চৌধুরী।