নিত্যপণ্য, ওষুধ, এলপিজি সিলিন্ডার ও জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সিন্ডিকেট ভেঙে বাজার নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। একই সঙ্গে বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত, কৃত্রিম সংকট দূর এবং মধ্যরাতে মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতা বন্ধে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ চেয়েছে সংগঠনটি।
সভায় ক্যাবের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, জ্বালানি তেলের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ক্যাবের দাবিগুলো গুরুত্বপূর্ণ। দেশে প্রসাধনী থেকে শুরু করে ওষুধ পর্যন্ত নকল ও ভেজাল পণ্যের বিস্তার ঘটেছে। নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির পেছনেও অসাধু ব্যবসায়ীদের ভূমিকা রয়েছে। পণ্য পরিবহনের বিভিন্ন পর্যায়ে মধ্যস্বত্বভোগীদের মুনাফার কারণে শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের অতিরিক্ত দাম দিতে হচ্ছে। এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
বাংলাদেশ সাধারণ নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, জনগণের দাবিকে সরকার যথাযথভাবে মূল্যায়ন করছে না। বাজারে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। অবিলম্বে সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির প্রবণতা বন্ধ করতে হবে।
ক্যাবের সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, সরকারের কাছে জনবান্ধব সিদ্ধান্তের প্রত্যাশা থাকলেও বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্তের চাপ সাধারণ মানুষের ওপর পড়ছে। ভোজ্যতেলের দাম আবার বাড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ও প্রভাবশালী গোষ্ঠী বাজারে সংকট তৈরি করে পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে।
তিনি বলেন, সামনে রমজানকে বিবেচনায় নিয়ে এখনই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। ১৮ কোটি মানুষের দাবি বিবেচনায় নিয়ে জনবান্ধব সিদ্ধান্ত গ্রহণ, বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং মধ্যরাতে মূল্যবৃদ্ধির সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।