মোদি-শি জিনপিং-পুতিন: ভূরাজনীতির নতুন মেরুকরণ?

একই মঞ্চে তিন শক্তিধর নেতা, বদলে যাচ্ছে কি বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণ?

শফিকুল আলম সেলিম
প্রকাশের সময় মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বিশ্ব রাজনীতিতে যখন যুক্তরাষ্ট্র চীন প্রতিদ্বন্দ্বিতা, রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য উত্তেজনা একসঙ্গে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করছে, ঠিক তখন ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে একই ফ্রেমে দেখা গেল তিন গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে।
ছবিটি নিছক কূটনৈতিক মুহূর্ত নয়; এর মধ্যে রয়েছে বিশ্ব রাজনীতির পরিবর্তিত বাস্তবতার ইঙ্গিত। তবে প্রশ্নও আছে ভারত, চীন ও রাশিয়া কি নতুন কোনো শক্তি-জোট গড়ে তুলছে? নাকি নিজেদের স্বার্থে পরস্পরের সঙ্গে সহযোগিতা করলেও প্রত্যেকে আলাদা কৌশল অনুসরণ করছে?
সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ বলছে, দ্বিতীয় ব্যাখ্যাটিই আপাতত বেশি বাস্তবসম্মত। কিন্তু একই সঙ্গে এটিও স্পষ্ট বিশ্ব রাজনীতি ক্রমেই এককেন্দ্রিক কাঠামো থেকে বহুমেরুকেন্দ্রিক ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে।
২০২৬ সালের ব্রিকস সম্মেলনকে ঘিরে নয়াদিল্লিতে বিশ্বের নজর ছিল। সম্মেলনের আগে ১১ সেপ্টেম্বর নরেন্দ্র মোদি ও ভ্লাদিমির পুতিন বৈঠক করেন। দুই নেতা বাণিজ্য, জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে আলোচনা করেন। পারমাণবিক জ্বালানি, সার, প্রতিরক্ষা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, উৎপাদন, রেল ও ইস্পাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়ও আলোচনায় ছিল।
এরপর ১২ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন শি জিনপিং। সাত বছর পর চীনা প্রেসিডেন্টের ভারত সফর দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। বৈঠকে সীমান্ত সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি ব্যবসা, পরিবহন ও জনগণের যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়ে দুই দেশ আগ্রহ প্রকাশ করে। একই সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি ও সরবরাহব্যবস্থার সমস্যাগুলো মোকাবিলার কথাও বলা হয়।
অর্থাৎ মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে মোদি একই সঙ্গে রাশিয়া ও চীনের শীর্ষ নেতার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। এখানেই তৈরি হয়েছে নতুন ভূরাজনৈতিক আলোচনার ক্ষেত্র।
তিন নেতার ছবি দেখে অনেকের মনে হতে পারে, ভারত–চীন–রাশিয়া হয়তো যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীতে নতুন একটি শক্তি-বলয় তৈরি করছে, কিন্তু বাস্তবতা এত সরল নয়।
ভারত চীনের সঙ্গে সীমান্ত বিরোধে জড়িত। দুই দেশের প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কিলোমিটার বিতর্কিত সীমান্ত এখনো পুরোপুরি সমাধান হয়নি। ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষ দুই দেশের সম্পর্কে বড় ধরনের অবিশ্বাস তৈরি করেছিল। যদিও ২০২৪ সালের পর সীমান্তে উত্তেজনা কমানোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং বাণিজ্য ও যোগাযোগ আবার বাড়ছে।
অন্যদিকে ভারত যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার। কোয়াডের সদস্য হিসেবে ভারত যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কাজ করছে।
অতএব, নয়াদিল্লি একই সঙ্গে ওয়াশিংটন, মস্কো ও বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে এগোচ্ছে।
এটাই ভারতের কৌশলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য কোনো একটি শক্তিশিবিরের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভর না করে নিজের কৌশলগত স্বাধীনতা ধরে রাখা।
ইউক্রেন যুদ্ধের পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞায় রাশিয়ার অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বড় চাপে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে ভারত ও চীন রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদারে পরিণত হয়েছে।
ভারত বিপুল পরিমাণ রুশ তেল কিনছে। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির মধ্যে রাশিয়ার অংশ রেকর্ড ৫১ শতাংশে পৌঁছেছিল বলে রয়টার্স জানিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সরবরাহে বিঘ্নের কারণে রুশ তেলের ওপর ভারতের নির্ভরতা আরও বেড়েছিল।
ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক রয়েছে। পারমাণবিক জ্বালানি, সামরিক সরঞ্জাম, মহাকাশ, রেল, শিল্প ও প্রযুক্তি সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ণ।
ফলে রাশিয়ার জন্য ভারত হচ্ছে বড় বাজার, গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অংশীদার , জ্বালানি ক্রেতা , প্রতিরক্ষা সহযোগী।
চীনও রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে। রাশিয়ার জ্বালানি, কাঁচামাল ও অন্যান্য পণ্যের জন্য চীন বড় বাজার।
একই সঙ্গে চীন ব্রিকসকে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখতে চায়, যেখানে উন্নয়নশীল ও উদীয়মান অর্থনীতিগুলো বৈশ্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে বেশি ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে চীনের সঙ্গে ভারতের প্রতিযোগিতাও কম নয়।
বাণিজ্য ঘাটতি, সীমান্ত, প্রযুক্তি, বিনিয়োগ, আঞ্চলিক প্রভাব এবং দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের উপস্থিতি—সবকিছুই নয়াদিল্লির কাছে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ও কৌশলগত বিষয়।
তাই মোদি–শি বৈঠককে সম্পর্কের সম্পূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। বরং এটি সংঘাত কমিয়ে সহযোগিতার জায়গা বাড়ানোর বাস্তববাদী কূটনীতি।
ব্রিকসের সম্প্রসারণ এই আলোচনাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।
ব্রিকস এখন ১১টি পূর্ণ সদস্য দেশের প্ল্যাটফর্ম। এর সদস্যদের সম্মিলিত জনসংখ্যা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক এবং ক্রয়ক্ষমতার ভিত্তিতে বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রায় ৪০ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করে।
ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার পুরোনো কাঠামো এখন আরও বিস্তৃত হয়েছে। মিশর, ইথিওপিয়া, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইন্দোনেশিয়া ও সৌদি আরবের মতো দেশগুলোও এই প্ল্যাটফর্মের অংশ।
এতে ব্রিকস শুধু অর্থনৈতিক সহযোগিতার সংগঠন নয়; ধীরে ধীরে এটি বৈশ্বিক দক্ষিণের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে পরিণত হচ্ছে।
তবে এখানেও সমস্যা রয়েছে।
চীন ও ভারতের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আছে। সদস্য দেশগুলোর রাজনৈতিক অবস্থানও এক নয়। কেউ পশ্চিমা আধিপত্যের বিরোধিতা করলেও কেউ সরাসরি পশ্চিমবিরোধী জোটে যেতে আগ্রহী নয়।
ফলে ব্রিকসের সবচেয়ে বড় শক্তি যেমন তার বিশাল অর্থনৈতিক ও জনসংখ্যাগত পরিসর, তেমনি সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হচ্ছে সদস্যদের স্বার্থের বৈচিত্র্য।
মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেন একই টেবিলে ভিন্ন স্বার্থ
নয়াদিল্লির বৈঠক এমন সময়ে হয়েছে যখন বিশ্বজুড়ে দুটি বড় সংঘাত আন্তর্জাতিক রাজনীতিকে প্রভাবিত করছে ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত।
ব্রিকসের যৌথ ঘোষণায় মধ্যপ্রাচ্যে সংযম এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রবাহ স্বাভাবিক রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মুখে। চীন রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে। ভারত আবার রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক রাখার পাশাপাশি ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধানে সংলাপ ও কূটনীতির পক্ষে অবস্থান করছে।
এখানেই মোদির কূটনৈতিক ভারসাম্যের বিষয়টি সামনে আসে। ভারত রাশিয়াকে পুরোপুরি ছাড়ছে না, আবার পশ্চিমা বিশ্ব থেকেও দূরে সরে যাচ্ছে না।
ভারত-চীন-রাশিয়ার এই নতুন ধরনের যোগাযোগ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ওয়াশিংটনের অন্যতম কৌশলগত লক্ষ্য হচ্ছে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের প্রভাব মোকাবিলা করা। সেখানে ভারত যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। কিন্তু ভারত একই সময়ে রাশিয়ার সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি সম্পর্ক বজায় রাখছে এবং চীনের সঙ্গে সরাসরি কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়াচ্ছে।
অর্থাৎ ভারতকে কোনো নির্দিষ্ট শিবিরে স্থায়ীভাবে আটকে রাখা সহজ নয়। একটি দেশ একই সময়ে একাধিক শক্তির অংশীদার হতে পারে। এই বাস্তবতাই পুরোনো জোটভিত্তিক রাজনীতিকে বদলে দিচ্ছে।
বিশ্লেষণের দিক থেকে ভারত এখন বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ‘সুইং পাওয়ার’ অর্থাৎ এমন শক্তি, যার অবস্থান আন্তর্জাতিক ভারসাম্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতা থাকলেও ভারত চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ করছে না।
রাশিয়ার সঙ্গে গভীর সম্পর্ক থাকলেও ভারত ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধানে কূটনীতির কথা বলছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকলেও ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা অব্যাহত রাখছে।
এই তিনটি দিক একসঙ্গে দেখলে বোঝা যায়, নয়াদিল্লি কোনো একটি ‘শিবিরের’ সদস্য হওয়ার চেয়ে নিজের দর-কষাকষির ক্ষমতা বাড়াতে চাইছে।
ভারত–চীন–রাশিয়ার এই পরিবর্তিত সমীকরণ বাংলাদেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী ভারত। একই সঙ্গে চীন বাংলাদেশের বড় বাণিজ্য ও অবকাঠামো অংশীদার। রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।
ফলে তিন শক্তির সম্পর্কের পরিবর্তন বাংলাদেশের অর্থনীতি, জ্বালানি, অবকাঠামো, বাণিজ্য ও আঞ্চলিক নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত–চীন প্রতিযোগিতা কমে সহযোগিতা বাড়লে বাংলাদেশের জন্য বাণিজ্য ও যোগাযোগের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে প্রতিযোগিতা বাড়লে ছোট ও মাঝারি দেশগুলোর ওপর কূটনৈতিক চাপও বাড়তে পারে।
তাহলে কি ভূরাজনীতির নতুন মেরুকরণ শুরু? হ্যাঁ, পরিবর্তন হচ্ছে; কিন্তু সেটি এখনো সরাসরি নতুন তিন-দেশীয় জোট নয়। মোদি–শি–পুতিনের সম্পর্ককে বরং তিনটি সমান্তরাল বাস্তবতার সমষ্টি হিসেবে দেখা যায়।
প্রথমত, রাশিয়া ও চীন পশ্চিমা আধিপত্যের বিকল্প হিসেবে বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থা শক্তিশালী করতে চায়। দ্বিতীয়ত, ভারত কোনো একক শক্তির সঙ্গে পুরোপুরি যুক্ত না হয়ে কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বজায় রাখতে চাইছে। তৃতীয়ত, ব্রিকসের সম্প্রসারণ বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর সম্মিলিত দর-কষাকষির ক্ষমতা বাড়াচ্ছে। এই তিনটি প্রবণতা মিলেই আন্তর্জাতিক রাজনীতির পুরোনো কাঠামোকে ধীরে ধীরে বদলে দিচ্ছে।
মোদি–শি–পুতিনের সাম্প্রতিক উপস্থিতি হয়তো নতুন কোনো আনুষ্ঠানিক জোটের জন্ম দেয়নি। কিন্তু এটি বিশ্ব রাজনীতির একটি বড় পরিবর্তনের প্রতীক। আগের বিশ্বে দুটি বড় শক্তির মধ্যে একটিকে বেছে নেওয়ার চাপ ছিল বেশি। এখন অনেক দেশই একাধিক শক্তির সঙ্গে একই সময়ে সম্পর্ক রাখছে। ভারত রাশিয়ার সঙ্গে আছে, আবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও আছে। চীনের সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ রয়েছে, আবার চীনের সঙ্গে বাণিজ্যও বাড়ছে। রাশিয়া চীনের ঘনিষ্ঠ, কিন্তু ভারতও মস্কোর গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। অর্থাৎ নতুন বিশ্ব রাজনীতির মূল শব্দ সম্ভবত ‘জোট’ নয় ‘ভারসাম্য’।
নয়াদিল্লির মঞ্চে মোদি, শি ও পুতিনের পাশাপাশি দাঁড়ানোর দৃশ্য তাই শুধু একটি ছবি নয়। এটি এমন একটি বিশ্বের প্রতিচ্ছবি, যেখানে ক্ষমতার কেন্দ্র এক জায়গায় আটকে নেই; বরং এশিয়া, ইউরেশিয়া ও বৈশ্বিক দক্ষিণ ক্রমেই নিজেদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব বাড়াচ্ছে।
তবে এই মেরুকরণ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা নির্ভর করবে তিনটি বিষয়ের ওপর, যুক্তরাষ্ট্রের নীতি, চীন-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ এবং ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের গতিপথ।
একটি বিষয় এখন স্পষ্ট, বিশ্ব রাজনীতির পুরোনো সমীকরণ আর আগের জায়গায় নেই। আর দিল্লিতে মোদি–শি–পুতিনের একই মঞ্চে উপস্থিতি সেই পরিবর্তনেরই সবচেয়ে দৃশ্যমান প্রতীকগুলোর একটি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ