বাংলাদেশে দুর্যোগ যেন জীবনেরই আরেক নাম। বছরের কোনো না কোনো সময়ে দেশের কোনো প্রান্তে বন্যার পানি ঢোকে, কোনো এলাকায় নদীভাঙনে বসতভিটা বিলীন হয়, উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস, কোথাও বজ্রপাত কেড়ে নেয় প্রাণ, আবার কোথাও অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ধস মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে বিপর্যস্ত করে। দুর্যোগের সঙ্গে লড়াই করতে করতে এ দেশের মানুষ অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। কিন্তু অভ্যস্ত হয়ে যাওয়া মানেই দুর্যোগের ক্ষতি মেনে নেওয়া নয়। বরং প্রতিটি দুর্যোগ আমাদের নতুন করে মনে করিয়ে দেয় প্রকৃতির শক্তিকে থামানো না গেলেও তার অভিঘাত অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
বাংলাদেশের বাস্তবতায় ‘প্রাকৃতিক বিপর্যয় হ্রাস’ কথাটির গুরুত্ব তাই অন্য অনেক দেশের চেয়ে আলাদা। একটি ঘূর্ণিঝড় শুধু কয়েক ঘণ্টার ঝড় নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে উপকূলের মানুষের ঘরবাড়ি, ফসল, গবাদিপশু, জীবিকা, শিক্ষার ধারাবাহিকতা এবং ভবিষ্যৎ। একটি নদীভাঙন শুধু এক টুকরো জমি কেড়ে নেয় না; কখনো কখনো একটি পরিবারের বহু প্রজন্মের স্মৃতি, পরিচয় ও নিরাপত্তার জায়গাটুকুও কেড়ে নেয়। একটি বন্যা শুধু রাস্তা-ঘাট ডুবিয়ে দেয় না; কৃষকের বছরের ফসল, শ্রমজীবী মানুষের আয় এবং শিশুর পড়াশোনাকেও অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দেয়। তাই বাংলাদেশের জন্য দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস মানে আসলে মানুষের জীবন ও জীবিকা রক্ষার সংগ্রাম।
দিবসটির মূল উদ্দেশ্য হলো প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট নানা বিপদের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। কিন্তু এই দিবস কেবল আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করার বিষয় নয়। বাংলাদেশে এর শিক্ষা আমাদের দৈনন্দিন উন্নয়ন পরিকল্পনা, নগর ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সামাজিক নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত করা জরুরি।
আমরা প্রায়ই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলতে দুর্যোগের পর ত্রাণ বিতরণ, উদ্ধার অভিযান কিংবা ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনকে বুঝি। এগুলো অবশ্যই প্রয়োজনীয়। কিন্তু প্রকৃত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশটি শুরু হয় দুর্যোগ আঘাত হানার আগেই। কোথায় ঝুঁকি বেশি, কারা বেশি ঝুঁকিতে, কোন অবকাঠামো দুর্বল, কোথায় নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা নেই এসব চিহ্নিত করে আগেই ব্যবস্থা নেওয়াই হলো ঝুঁকি হ্রাসের মূল কথা।
বাংলাদেশ গত কয়েক দশকে দুর্যোগ মোকাবিলায় উল্লেখযোগ্য সক্ষমতা অর্জন করেছে। ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সতর্কবার্তা, আশ্রয়কেন্দ্র, উপকূলীয় বাঁধ, স্বেচ্ছাসেবক নেটওয়ার্ক এবং মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির ফলে অতীতের তুলনায় অনেক ক্ষেত্রে প্রাণহানি কমানো সম্ভব হয়েছে। একসময় যে ঘূর্ণিঝড় হাজার হাজার মানুষের জীবন কেড়ে নিত, এখন একই ধরনের দুর্যোগে আগাম প্রস্তুতি ও দ্রুত আশ্রয় নেওয়ার কারণে প্রাণহানি তুলনামূলকভাবে কমানো সম্ভব হচ্ছে। এটি আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রস্তুতি জীবন বাঁচায়।
তবে নতুন বাস্তবতায় চ্যালেঞ্জও বাড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বাংলাদেশের জন্য ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, উপকূলীয় লবণাক্ততা, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, অতিবৃষ্টি, দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ, আকস্মিক বন্যা কিংবা ঘূর্ণিঝড়ের পরিবর্তিত আচরণ আমাদের প্রচলিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। একই সঙ্গে দেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব এবং সীমিত ভূমির ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, অনেক সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতির সঙ্গে মানুষের কর্মকাণ্ডও যুক্ত হয়ে যায়। নদী-খাল দখল, জলাশয় ভরাট, পাহাড় কাটা, বন উজাড়, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং দুর্বল নির্মাণব্যবস্থা প্রাকৃতিক বিপদকে আরও ভয়াবহ করে তুলতে পারে। বৃষ্টিপাত প্রকৃতির স্বাভাবিক ঘটনা, কিন্তু শহরের খাল-জলাশয় ভরাট করে দিলে সেই বৃষ্টির পানি যখন বের হওয়ার পথ পায় না, তখন জলাবদ্ধতা ভয়াবহ দুর্ভোগ তৈরি করে। পাহাড়ে নির্বিচারে বসতি কিংবা পাহাড় কাটা হলে ভারী বৃষ্টিতে ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ে। অর্থাৎ সব বিপর্যয়ের দায় প্রকৃতির ওপর চাপিয়ে দিলে বাস্তব সমস্যার অনেকটাই আড়ালে থেকে যায়।
বাংলাদেশের দুর্যোগ ঝুঁকির আরেকটি বড় দিক হলো নদীভাঙন। প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নদীর ভাঙনে মানুষ বসতভিটা ও কৃষিজমি হারায়। নদীভাঙনের শিকার মানুষের দুর্ভোগ অন্য অনেক দুর্যোগের চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী। ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার পানি একসময় নেমে যায়, কিন্তু নদী যখন একটি পরিবারের বসতভিটা গিলে নেয়, তখন তার ফিরে যাওয়ার জায়গা থাকে না। তাকে নতুন করে ঘর বানাতে হয়, নতুন কর্মসংস্থান খুঁজতে হয়, সন্তানদের পড়াশোনা চালিয়ে নিতে হয়। ফলে নদীভাঙন শুধু পরিবেশগত সমস্যা নয়; এটি দারিদ্র্য, বাস্তুচ্যুতি ও সামাজিক নিরাপত্তার সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত।
দুর্যোগের সবচেয়ে বড় বোঝা বহন করেন সাধারণত দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষ। যাদের ঘর মজবুত, সঞ্চয় আছে কিংবা বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা রয়েছে, তারা দুর্যোগের ধাক্কা কিছুটা সামলে নিতে পারেন। কিন্তু দিনমজুর, ক্ষুদ্র কৃষক, জেলে, নিম্নআয়ের শ্রমিক কিংবা নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কাছে একটি দুর্যোগ মানে প্রায় সবকিছু হারিয়ে ফেলা। তাই দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের পরিকল্পনায় দারিদ্র্য হ্রাস ও সামাজিক সুরক্ষাকে গুরুত্ব দিতে হবে।
নারী, শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও প্রতিবন্ধী মানুষও দুর্যোগের সময় বিশেষ ঝুঁকিতে থাকেন। আশ্রয়কেন্দ্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা, আলাদা স্যানিটেশন ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সেবার অভাব তাদের দুর্ভোগ বাড়াতে পারে। তাই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হতে হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক। সমাজের সবচেয়ে দুর্বল মানুষটির প্রয়োজনকে কেন্দ্র করে পরিকল্পনা করা হলে সবার জন্য নিরাপদ ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।
শহরাঞ্চলের দুর্যোগ ঝুঁকিও এখন নতুন করে গুরুত্ব পাওয়ার দাবি রাখে। ঢাকা ও অন্যান্য বড় শহরে অপরিকল্পিত নগরায়ণ, জলাশয় ও খাল সংকুচিত হওয়া, অতিরিক্ত জনঘনত্ব এবং দুর্বল নিষ্কাশনব্যবস্থা সামান্য প্রাকৃতিক ঘটনাকেও বড় দুর্ভোগে পরিণত করতে পারে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভূমিকম্পের ঝুঁকি। ভবন নির্মাণে নিরাপত্তা বিধি মেনে চলা, পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করা, জরুরি উদ্ধারপথ নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষকে ভূমিকম্পসহ বিভিন্ন দুর্যোগের সময় করণীয় সম্পর্কে প্রশিক্ষিত করা জরুরি।
দুর্যোগ ঝুঁকি কমাতে পরিবেশ রক্ষার কোনো বিকল্প নেই। বন, নদী, খাল, জলাভূমি ও উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী প্রকৃতির নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ। এগুলো ধ্বংস করে কেবল কংক্রিটের অবকাঠামো নির্মাণ করলে উন্নয়নের একটি দিক হয়তো দৃশ্যমান হয়, কিন্তু অন্যদিকে ভবিষ্যতের ঝুঁকিও তৈরি হয়। তাই উন্নয়ন পরিকল্পনায় পরিবেশকে বাধা হিসেবে নয়, নিরাপত্তার অংশ হিসেবে দেখতে হবে।
প্রযুক্তিও দুর্যোগ মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস, স্যাটেলাইট তথ্য, মোবাইল ফোনে সতর্কবার্তা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থার মাধ্যমে দ্রুত বিপদের খবর মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। তবে শুধু সতর্কবার্তা দিলেই হবে না; সেই বার্তা পাওয়ার পর মানুষ কোথায় যাবে, কীভাবে যাবে এবং সেখানে গিয়ে কী ধরনের সহায়তা পাবে সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে সতর্কবার্তা পৌঁছানোর কার্যকর ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।
দুর্যোগ প্রস্তুতির শিক্ষা ছোটবেলা থেকেই শুরু করা দরকার। স্কুল-কলেজে নিয়মিত মহড়া, প্রাথমিক চিকিৎসা, অগ্নিনিরাপত্তা, ভূমিকম্পের সময় করণীয় এবং ঘূর্ণিঝড়-বন্যার সময় নিরাপদ থাকার বিষয়ে ব্যবহারিক শিক্ষা দেওয়া যেতে পারে। কারণ দুর্যোগের প্রথম কয়েক মিনিটে সঠিক সিদ্ধান্ত অনেক সময় জীবন রক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। শুধু বইয়ের পাতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কথা না রেখে বাস্তব অনুশীলনের মাধ্যমে প্রস্তুতি গড়ে তুলতে হবে।
এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের দায়িত্বও গুরুত্বপূর্ণ। দুর্যোগের সময় ক্ষয়ক্ষতির খবর প্রকাশের পাশাপাশি আগাম সতর্কতা, নিরাপদ আশ্রয়, করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা প্রয়োজন। গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যেন আতঙ্ক না বাড়ায়, সেদিকেও গণমাধ্যমকে সতর্ক থাকতে হবে। একই সঙ্গে দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের বাস্তব চাহিদা ও সমস্যাগুলো তুলে ধরাও গণমাধ্যমের সামাজিক দায়িত্ব।
আমাদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় একটি বড় পরিবর্তন দরকার দুর্যোগের পরে খরচ করার চেয়ে দুর্যোগের আগে ঝুঁকি কমাতে বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। শক্তিশালী বাঁধ, নিরাপদ ঘরবাড়ি, টেকসই সড়ক, কার্যকর ড্রেনেজ, পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র, উন্নত পূর্বাভাস ব্যবস্থা এবং প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক তৈরিতে যে অর্থ ব্যয় হবে, তা ভবিষ্যতের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সাহায্য করবে। অর্থাৎ দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কোনো অতিরিক্ত ব্যয় নয়; এটি ভবিষ্যতের ক্ষতি কমানোর বিনিয়োগ।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, দুর্যোগকে ভাগ্যের লিখন হিসেবে মেনে নেওয়ার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসা। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্প কিংবা নদীভাঙন আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকতে পারে, কিন্তু এসব দুর্যোগে মানুষের ক্ষতি কতটা হবে, তার অনেকটাই আমাদের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির ওপর নির্ভর করে। একটি নিরাপদ ঘর, একটি কার্যকর সতর্কবার্তা, একটি আশ্রয়কেন্দ্র কিংবা একজন প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক একটি জীবন বাঁচাতে পারে। আর একটি জীবন বাঁচানোর মূল্য কোনো পরিসংখ্যান দিয়ে পরিমাপ করা যায় না।
প্রাকৃতিক বিপর্যয় হ্রাস দিবস তাই শুধু সচেতনতার একটি দিন নয়; এটি আমাদের উন্নয়ন দর্শন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে ভাবার দিন। বাংলাদেশ দুর্যোগপ্রবণ দেশ এ বাস্তবতা বদলানো কঠিন। কিন্তু দুর্যোগপ্রবণ মানেই দুর্যোগে অসহায় হতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। বরং দুর্যোগের ঝুঁকি বুঝে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে, পরিবেশ রক্ষা করে, টেকসই অবকাঠামো গড়ে এবং মানুষের সক্ষমতা বাড়িয়ে একটি দুর্যোগ-সহনশীল বাংলাদেশ নির্মাণ করা সম্ভব।
প্রকৃতিকে থামানো যাবে না, কিন্তু প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থান শেখা যাবে। দুর্যোগ আসবে এটি বাস্তবতা। কিন্তু দুর্যোগের পর শুধু ক্ষয়ক্ষতির হিসাব না করে দুর্যোগের আগেই ঝুঁকি কমানোর সংস্কৃতি গড়ে তোলাই হতে পারে আমাদের সবচেয়ে বড় সাফল্য। কারণ দুর্যোগের পরে ত্রাণ পৌঁছানো জরুরি, কিন্তু দুর্যোগের আগে একটি প্রাণকে নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছে দেওয়া আরও জরুরি। আর সেই প্রস্তুতিই হোক প্রাকৃতিক বিপর্যয় হ্রাস দিবসে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অঙ্গীকার।
লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী
shafiqualalam@gmail.com