স্বপ্নের যাত্রা অব্যাহত রেখে শেষ ষোলোয় উঠেছে বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক মেক্সিকো। বজ্রঝডের কবলে পড়ে এক ঘণ্টা দেরিতে শুরু হওয়া শেষ ৩২–এর ম্যাচে তারা ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়েছে। ৪০ বছরে প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউটে জিতে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে মেক্সিকো।
ইকুয়েডরের বিপক্ষে মেক্সিকো দুটি গোলই করেছে প্রথমার্ধে। ম্যাচের ২২ মিনিটে দলটির হয়ে প্রথম গোল করেছিলেন হুলিয়ান কিনিয়োনেস। ৯ মিনিট পর স্বাগতিকদের আবার এগিয়ে দেন রাউল হিমেনেজ। যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে প্রতিপক্ষের সঙ্গে মুখ ঢেকে কথা বলায় ইকুয়েডরের পিয়েরো ইনকাপিয়ে লাল কার্ড দেখেন।
খেলার শুরু থেকেই গতিময় ফুটবল খেলায় ইকুয়েডরকে চেপে ধরে মেক্সিকো। গ্যালারির উচ্ছ্বাসকে তারা শক্তিতে রূপ দেয় এবং ম্যাচের একেবারে শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ তৈরি করে। লুইস রোমোর নিখুঁত ক্রসে রাউল হিমেনেস ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে হেড নিলেও বল অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে চলে যায়। এরপর ১৭ বছরের কিশোর মিডফিল্ডার গিলবার্তো মোরা টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা গোল উপহার দেওয়ার খুব কাছাকাছি ছিলেন। দুরূহ কোণ থেকে নেওয়া তার শক্তিশালী শট ইকুয়েডরের গোলরক্ষক হার্নান গালিনদেসকে পরাস্ত করলেও দূরের পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়।
ইকুয়েডরের হাই-প্রেস ভেঙে নিখুঁত থ্রু পাস বাড়িয়ে দেন রবার্তো আলভারাদো। সেই পাস ধরে উইলিয়ান পাচোকে শক্তির লড়াইয়ে হারিয়ে নিজের শরীর ঘুরিয়ে দুর্দান্ত এক শটে বল জালে জড়ান কলম্বিয়ায় জন্ম নেওয়া ফরোয়ার্ড হুলিয়ান কিনিয়োনেস। এটি ছিল চলতি আসরে তার তৃতীয় গোল। এর মাত্র নয় মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করে স্বাগতিকরা। কিনিয়োনেসের সঙ্গে ওয়ান-টুস পাস বিনিময়ের পর হিমেনেস দুর্দান্ত এক শটে জালের ওপরের প্রান্তে বল জড়ান। জাতীয় দলে এটি তার ৪৭তম গোল, আছেন সর্বোচ্চ গোলদাতা থেকে ৫ গোলের দূরত্বে।