জার্মানিকে হারিয়ে অবিশ্বাস্যভাবে বিশ্বকাপের নকআউটে ইকুয়েডর

প্রকৃতির সংবাদ ডেস্ক
প্রকাশের সময় শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬

আইভরি কোস্টের কাছে হার এবং নবাগত কুরাসাওয়ের সঙ্গে ড্রয়ের পর জার্মানির বিপক্ষে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচ খেলতে নেমেছিল ইকুয়েডর। অর্থাৎ, টুর্নামেন্ট থেকে তার বিদায়ের পক্ষেই হয়তো ক্রীড়া বিশ্লেষকরা বাজি ধরেছিলেন। কিন্তু একেবারে দ্বিতীয় মিনিটেই গোল হজম করা ইকুয়েডর জার্মানিকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে নকআউট রাউন্ড নিশ্চিত করেছে।

এর আগে জার্মানিকে দু’বারের দেখায় কখনও হারাতে পারেনি ইকুয়েডর। এমনকি বিশ্বকাপের নকআউটেও উঠেছিল কেবল একবার, সেই আসর হয়েছিল আবার জার্মানিতে, ২০০৬ সালে। ২০ বছর পর আবারও সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতার নকআউটে লাতিন দেশটি। ২০০৬ বিশ্বকাপে স্বাগতিক জার্মানির কাছে ইকুয়েডর ৩-০ ব্যবধানে হেরে যায়। এরপর ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচের দেখায়ও ৪-০ ব্যবধানের বড় জয় পেয়েছিল চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

‘ই’ গ্রুপের শক্তিশালী দল জার্মানি আগের দুই ম্যাচেই জিতে বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২ নিশ্চিত করে রেখেছিল। ফলে এই ম্যাচের ফলাফল তাদের জন্য খুব একটা চিন্তার কারণ ছিল না। শুরুতেই জার্মানি লিড নেওয়ার মিনিট সাতেক পর সমতায় ফেরে ইকুয়েডর। এরপর ৭৭ মিনিটে গঞ্জালো প্লাতার দুর্দান্ত গোলে নেওয়া লিড লাতিন দেশটি শেষ পর্যন্ত ধরে রেখে জয় আদায় করে নিয়েছে। ম্যাচজুড়েই তারা জার্মানদের কঠিন পরীক্ষায় নেয়।

ইকুয়েডরকে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। নবম মিনিটে মিডফিল্ডে ফেলিক্স এনমেচার কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে পেদ্রো ভিতে বল বাড়ান নিলসন আঙ্গুলোকে। তিনি ড্রিবল করে বক্সের বাইরে থেকে দারুণ শটে ম্যানুয়েল নয়্যারকে পরাস্ত করে টুর্নামেন্টে ইকুয়েডরের প্রথম গোলটি করেন। ম্যাচের ৭৭তম মিনিটে প্লাতা নয়্যারকে ফাঁকি দিয়েছেন তড়িৎ গতিতে পা বাড়িয়ে। কর্নার থেকে আসা বলৈ আরেকজনের হেডের পর ধরতে এগিয়ে এসেছিলেন ৪০ বছর বয়সী এই জার্মান তারকা গোলরক্ষক। সেই মুহূর্তে প্লাতা বাঁ পায়ের আঙুলের হালকা ছোঁয়ায় বল জালে পাঠিয়ে দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ