অভিষেকেই সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনকে রুখল কেপ ভার্দে

প্রকৃতির সংবাদ ডেস্ক
প্রকাশের সময় মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬

শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের খেলোয়াড়দের মুখে হতাশার ছাপ স্পষ্ট। অন্যদিকে কেপ ভার্দের ফুটবলারদের চোখে আনন্দাশ্রু। বিশ্বকাপের সৌন্দর্য তো এখানেই—যেখানে সামর্থ্য, পরিসংখ্যান আর পূর্বাভাসকে হার মানিয়ে জন্ম নেয় নতুন গল্প। বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম দাবিদার স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়েছে কেপ ভার্দে।

কেপ ভার্দের এই অর্জনের কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। ম্যাচজুড়ে স্প্যানিশ আক্রমণের সামনে যেন মানবপ্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন ৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক। করেছেন ৭টি অসাধারণ সেভ, যার কয়েকটি ছিল নিশ্চিত গোল বাঁচানো। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই আবেগে ভেঙে পড়েন ভোজিনিয়া। সেটি হতাশার নয়, বরং এক স্বপ্নপূরণের আনন্দ।

কেপ ভার্দের মানুষের জন্য এ এক উৎসবের মুহূর্ত, আর সেই উৎসবের প্রধান কারিগর হয়ে রইলেন তাদের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক। বিশ্বকাপের মঞ্চে স্পেনের মতো পরাশক্তিকে রুখে দিয়ে তিনি উপহার দিলেন দেশের ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবময় সন্ধ্যাগুলোর একটি।

প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তেও তোরেস ও আয়মেরিক লাপোর্তের দুটি সম্ভাবনাময় আক্রমণ ব্যর্থ করে দেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক। তার দৃঢ়তায় গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধেও একই চিত্র। আক্রমণের পর আক্রমণ চালিয়েও গোলের দেখা পাচ্ছিল না স্পেন। শেষ পর্যন্ত ৭১ মিনিটে মিকেল মেরিনোর বদলি হিসেবে মাঠে নামানো হয় লামিনে ইয়ামালকে। চোট কাটিয়ে পুরোপুরি ফিট না হলেও গোলের খোঁজে তরুণ এই তারকার ওপরই ভরসা রাখেন স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।

ইয়ামালকে নামিয়েও জালের দেখা পায়নি স্পেন। শেষ পর্যন্ত আর কোনো দলই গোল করতে পারেনি। ফলে স্পেনকে রুখে দিয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় ড্র তুলে নেয় কেপ ভার্দে। আর সেই অর্জনের সবচেয়ে বড় নায়ক নিঃসন্দেহে গোলরক্ষক ভোজিনিয়া।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ