সিলেটের গোলাপগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমকে বহন করা গাড়িতে হামলা হয়েছে। গাড়ির পেছনের কাচ ভেঙে গেছে। হামলার জন্য ছাত্রদলকে দায়ী করেছেন সারজিস।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে তিনটার দিকে গোলাপগঞ্জ পৌরসভা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে চলে যাওয়ার সময় এই ঘটনা ঘটে। পৌরসভা অডিটোরিয়ামে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছিল।
এনসিপির একাধিক স্থানীয় নেতাদের ভাষ্য, সভা শেষে সারজিস আলমকে বহনকারী গাড়িবহর অডিটোরিয়াম এলাকা ত্যাগ করছিল। তখন কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে বোতল ও পাথর ছুড়ে মারেন। এতে গাড়িতে আঘাত লাগে। ঘটনাস্থলে সাময়িক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় সারজিস আলমের গাড়ি ও পৌরসভার সামনে পুলিশের সদস্যরা ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, গাড়ি লক্ষ্য করে কোমল পানীয়র ছোট বোতল ছুড়ে মরা হয়। সারজিস আলমকে বহনকারী গাড়ির পেছনের গ্লাস ভেঙে যায়। এ সময় ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেওয়া হয়।

ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ পাহারায় সারজিস আলমকে বহনকারী গাড়ি সিলেটের দিকে চলে যেতে দেখা যায়।
পরে সিলেট সার্কিট হাউসে ফিরে সারজিস আলম বলেন, ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা এই হামলা চালিয়েছে। এ ছাড়া সিলেটে ফেরার পথে পাঁচমাইল এলাকায়ও চাপাতি ও রামদা দিয়ে হামলা হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সিলেট জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন (দিনার) বলেন, ছাত্রদলের নেতা–কর্মীদের একজনও থেকে থাকলে তাঁরা দেখাক। তাঁরা নেতা–কর্মীদের নিয়ে কোনো কথা বললেও বাধা না দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া ছিল। নিহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে গেছেন; কিন্তু আহতদের কারও সঙ্গে দেখা করেননি, সেখান থেকেই ঝামেলা হয়েছে বলে শুনেছেন।
এর আগে অডিটোরিয়ামে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে গোলাপগঞ্জ উপজেলার শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এনসিপির সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা হয়। এতে শহীদ পরিবারের সদস্যরা এবং এনসিপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা অংশ নেন।