দেশের অন্যতম ব্যস্ততম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনা-ঢাকাগামী অংশের আষারিয়ারচর ২য় সেতু চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সেতুর মাঝখানে বড় ধরনের গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। গর্ত দিয়ে নিচের পানি পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। একই সঙ্গে পথচারীদের চলাচলের জন্য নির্মিত পাশের স্ল্যাবও দীর্ঘদিন ধরে ভাঙা অবস্থায় পড়ে থাকায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন হাজারো মানুষ।
অন্যদিকে, সেতুর পাশের পথচারী চলাচলের স্ল্যাবও দীর্ঘদিন ধরে ভেঙে পড়ে রয়েছে। অনেক জায়গায় আগাছা জন্মে পথটি প্রায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে ফ্রেশ কোম্পানি, টাইগার পাওয়ার হাউজসহ আশপাশের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শ্রমিক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। সামান্য অসাবধানতায় দ্রুতগতির যানবাহনের নিচে পড়ে প্রাণহানির আশঙ্কাও রয়েছে।
আষারিয়ারচর গ্রামের বাসিন্দা রাকিবুল বলেন, প্রতিদিন এই সেতু দিয়ে আমাদের গ্রামের মানুষ, শ্রমিক, শিক্ষার্থীসহ হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। সেতুর মাঝখানের গর্ত দিন দিন বড় হচ্ছে, আর পাশের স্ল্যাব ভেঙে থাকায় পথচারীদের চলাচলও খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দুর্ঘটনার অপেক্ষা না করে সওজের উচিত দ্রুত সেতু ও ভাঙা স্ল্যাব সংস্কার করা।
নিয়মিত যাত্রী রাসেল বলেন, প্রতিদিন এই মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াত করি। গর্তটি দিন দিন বড় হচ্ছে। বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগে কর্তৃপক্ষের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সেতুর এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা থাকলেও সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে স্থায়ী কোনো সংস্কারকাজ করা হয়নি। শুধু সাময়িক ব্যবস্থা নিয়ে দায়িত্ব শেষ করা হয়েছে। এতে দিন দিন ঝুঁকি আরও বাড়ছে।