পরিমিত অভিনয়ের অনন্য শিল্পী মাসুদ আলী খান। নাটক কিংবা চলচ্চিত্রে তিনি যে ধরনের চরিত্র করেছিলেন, সেগুলো মানুষকে বরাবরই ইতিবাচক অনুভব দিয়েছে, অনুপ্রেরণা দিয়েছে। সেই নন্দিত অভিনয়শিল্পী মাসুদ আলী খানের প্রয়াণ দিবস আজ।
শেষ জীবনে অনেকদিন অভিনয় করতে পারেননি মাসুদ আলী খান। বার্ধক্যজনিত কারণে শুটিংয়ের শক্তি পেতেন না। তবু মনে স্পৃহা ছিল, অভিনয়ের জন্য মনটা পুড়তো।
মাসুদ আলী খানের জন্ম ১৯২৯ সালে ৬ অক্টোবর মানিকগঞ্জের পারিল নওধা গ্রামে। দীর্ঘ সাত দশক তিনি অভিনয়ে ছিলেন। মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র—তিন মাধ্যমেই তার উপস্থিতি সমৃদ্ধ করেছে দেশের শিল্পাঙ্গন। ছোটবেলায় স্কুলের মঞ্চেই তার অভিনয়ের শুরু। পরে উচ্চ মাধ্যমিকে যুক্ত হন মঞ্চনাটকে।
টেলিভিশনে আসার পর এমন অনেক নাটকে তিনি অভিনয় করেছেন, যেগুলো হয়েছে কালজয়ী। ‘এইসব দিনরাত্রি’, ‘কোথাও কেউ নেই’, ‘সুখী মানুষ প্রজেক্ট’, ‘মধুর ঝামেলা’, ‘সাদা কালো মন’, ‘শাপমোচন’, ‘ফিফটি-ফিফটি’, ‘একান্নবর্তী’ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। বড় পর্দায় তাকে দেখা গেছে ‘দীপু নাম্বার টু’, ‘দুই দুয়ারী’, ‘মোল্লা বাড়ির বউ’, ‘মাটির ময়না’র মতো সিনেমায়। এছাড়া জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’তে তাকে বহুবার দেখা গিয়েছিল।