আফগানিস্তান সীমান্তে এক অভিযান চালিয়েছে পাকিস্তানের সেনা-পুলিশ নিরাপত্তা বাহিনী। রোববার রাতে পরিচালিত সেই অভিযানে ২৯ জন নিহত হয়েছেন।
নিহত এই সন্ত্রাসীরা সবাই পাকিস্তানের নিষিদ্ধ রাজনৈতিক গোষ্ঠী তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান বা টিটিপির সদস্য ছিল। আফগানিস্তানের তালেবান বাহিনীর আদর্শে আড়াই দশক আগে পাকিস্তানে গঠিত এই দলটিকে বেশ কয়েক বছর আগে নিষিদ্ধ করেছে পাকিস্তানের সরকার। সরকারিভাবে এই গোষ্ঠীকে ‘ফিৎনা আল খারিজি’ বলা হয় পাকিস্তানে। আতালউল্লাহ তারারও তার এক্সবার্তায় নিহতদের ফিৎনা আল খারিজির সদস্য বলে উল্লেখ করেছেন।
আইএসপিআরের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, শনিবার রেঞ্জার্স সদর দপ্তরে সন্ত্রাসীরা হামলার করলে পাল্টা হামলা শুরু করেন রেঞ্জার্স সদস্যরা। তাদের হামলায় ৩ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে ১ জন। আহত সেই সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা ‘জামাতুল আখবার’ নামে একটি পৃথক গোষ্ঠীর সদস্য। এই গোষ্ঠীটি টিটিপিরই একটি শাখা গোষ্ঠী।
পাকিস্তানের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য খাইবার পাখতুনখোয়ার ৪০টি জেলার মধ্যে যে ৯টি জেলার সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে পাকিস্তানের; বাজউর সেসবের মধ্যে অন্যতম। তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারারের এক্সবার্তা থেকে জানা গেছে, রোববারের অভিযানে বাজাউর জেলার সীমান্তের ওপারে টিটিপি ওরফে ‘ফিৎনা আল খারিজি’ এবং জামাতুল আহরারের জঙ্গিদের আস্তানা এবং স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে টিটিপির উচ্চপর্যায়ের কমান্ডার খান ফারোশ আকা জাবাল নিহত হয়েছেন বলে এক্সবার্তায় জানিয়েছেন তারার। খান ফারোশ আকা জাবাল জামাতুল আহরারের শীর্ষ সংগঠক ছিলেন বলে দাবি করেছেন পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী।