১৯৪৭ সালের ঐতিহাসিক চুক্তিকে স্মরণ করে গতকাল বিশ্বজুড়ে স্বঘোষিত ‘বেলুচিস্তান স্বাধীনতা দিবস’ পালন করছেন বেলুচ জাতীয়তাবাদী, অধিকারকর্মী ও প্রবাসী সম্প্রদায়।জাতীয়তাবাদীদের দাবি অনুযায়ী, ১৯৪৭ সালের ১১ আগস্ট ব্রিটিশ শাসন অবসানের পর ‘কালত খানাত’ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। তবে এর মাত্র কয়েক মাস পর, ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তান অঞ্চলটি নিজেদের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়। বেলুচ আন্দোলনকারীরা দীর্ঘ সময় ধরে এই দিনটিকে তাদের মূল স্বাধীনতা দিবস হিসেবে দাবি করে আসছেন।
গতকাল ১১ আগস্ট দিনটি উপলক্ষে যুক্তরাজ্য, জার্মানি, কানাডাসহ ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসী বেলুচ সংগঠনগুলো সমাবেশ, সেমিনার এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও হ্যাশট্যাগ ব্যবহারের মাধ্যমে এই দিবসের পক্ষে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা চলছে। স্বঘোষিত ‘রিপাবলিক অব বেলুচিস্তান’ সরকার দিনটি উদযাপনের জন্য বিশেষ বার্তা প্রকাশ করেছে।

তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই দিবসের কোনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি নেই। জাতিসংঘ বা বিশ্বের কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্র বেলুচিস্তানের এই স্বঘোষিত স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেয়নি। অন্যদিকে, পাকিস্তান সরকার বেলুচ জাতীয়তাবাদীদের এই দাবিকে সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়ে আসছে। ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে বেলুচিস্তানকে পাকিস্তানের একটি অবিচ্ছেদ্য এবং আইনি অংশ হিসেবে গণ্য করা হয় এবং অঞ্চলটিতে যেকোনো ধরনের বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতাকে কঠোর হস্তে দমন করার নীতি বজায় রাখা হয়েছে।