ঘন ও ঝলমলে চুল পেতে করণীয়

প্রকৃতির সংবাদ ডেস্ক
প্রকাশের সময় রবিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬

আধুনিক জীবনযাত্রার চাপ, দূষণ আর অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রভাবে বর্তমানে চুল পড়া বা খুশকির সমস্যায় ভোগেন না এমন মানুষ কমই আছেন। এই সমস্যা সমাধানে অনেকেই নামী-দামি ব্র্যান্ডের তেল বা শ্যাম্পু ব্যবহার করেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চুলের যত্ন কেবল ওপর থেকে নিলে চলবে না; চুলকে মজবুত করতে হবে ভিতর থেকে।

১. প্রোটিন : চুলের মূল কারিগর আমাদের চুলের প্রধান উপাদান হলো ‘কেরাটিন’, যা মূলত এক ধরনের প্রোটিন। খাদ্যে প্রোটিনের ঘাটতি হলে চুল দুর্বল হয়ে ভেঙে যায় এবং বৃদ্ধি থমকে দাঁড়ায়। তাই প্রতিদিনের তালিকায় ডিম, মাছ, মুরগির মাংস ও বাদাম রাখা জরুরি। নিরামিষভোজীরা ডাল, সয়াবিন বা কুইনোয়া থেকে এই প্রোটিন পেতে পারেন।

৩. ভিটামিন ই : রক্ত সঞ্চালনের বন্ধু এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে চুলের ফলিকল সতেজ রাখে। অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বা মানসিক চাপের কারণে চুল পড়া রোধে এর জুড়ি নেই। কাঠবাদাম, সূর্যমুখীর বীজ ও অ্যাভোকাডো নিয়মিত খেলে চুলের হারানো জেল্লা ফিরে আসে।

৪. ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড : উজ্জ্বলতার চাবিকাঠি চুলকে প্রাকৃতিকভাবে সিল্কি ও উজ্জ্বল করতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড অপরিহার্য। এটি চুলের গোড়া মজবুত করে এবং স্ক্যাল্পকে হাইড্রেটেড রাখে। সামুদ্রিক মাছ ছাড়াও নিরামিষভোজীরা ফ্ল্যাক্স সিড (তিসি), চিয়া সিড এবং আখরোট থেকে এই স্বাস্থ্যকর চর্বি পেতে পারেন।

৫. আয়রন : চাই নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন শরীরে আয়রনের অভাব হলে চুলের ফলিকলগুলো পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না, ফলে চুল দ্রুত ঝরে পড়ে। পালং শাক, মসুর ডাল ও কুমড়োর বীজে প্রচুর আয়রন থাকে। তবে একটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি শরীরে আয়রনের শোষণ বাড়াতে লেবু বা কমলালেবুর মতো ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবারও সঙ্গে রাখা প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ