দেশি-বিদেশি সব ফলের দাম বাড়তি

শফিকুল আলম সেলিম
প্রকাশের সময় বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬

বাজারে একের পর এক বাড়ছে ফলের দাম। ডাব থেকে শুরু করে আপেল, নাশপাতি, মাল্টা, কমলা ও পেঁপেসহ দেশি-বিদেশি প্রায় সব ধরনের ফলই এখন বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে তীব্র গরমে ডাবের চাহিদা বাড়ায় কয়েক দিনের ব্যবধানে এর দামও বেড়েছে। ফলে পুষ্টিকর ফল কিনতে গিয়ে বাড়তি খরচের চাপ সামলাতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের।

শুধু ডাব নয়, বিদেশি ফলের দামও বেশ চড়া। বেশ কয়েকটা মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে সবুজ আপেল বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪০০ টাকা, নাশপাতি ৩০০ টাকা, মাল্টা ২৮০ টাকা এবং কমলা ৩৫০ টাকা দরে। এছাড়া রাঙামাটির পাকা পেঁপে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৫০ টাকা দরে।  সাগরকলা বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা থেকে শুরু করে ১৫০ টাকা ডজন হিসেবে।

একজন ফল বিক্রেতা দৈনিক প্রকৃতির সংবাদকে বলেন, বাজারে ফলের দাম অনেকটা বেড়েছে। ডাবের চাহিদা বেশি থাকায় ডাবের দামও বেশি। বিদেশি ফল আগের তুলনায় বাড়তি দামে কিনতে হয় বলেই, আমাদেরও বেশীদামে বিক্রি করতে হয়।  পাইকারি বাজারে দাম বেশি হওয়ায় খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে। পাইকারি বাজার থেকে সব ফল তো আর দেখে আনা যায় না। ১০ হাজার টাকার ফল কিনে আনার পর দেখা যায় প্যাকেটের নিচের দিকে কিছু ফল নষ্ট থাকে যা বিক্রি করা যায় না। তাই আমরা বাধ্য হয়েই একটু বেশী দাম রাখি।

বাজারে দেশি ফলের সরবরাহ থাকলেও সব ধরনের ফলের দামই বেশি। বিশেষ করে ডাবের মতো চাহিদাসম্পন্ন ফলের দাম বেড়ে যাওয়ায় এই প্রচন্ড গরমের সময়েও সাধারণ মানুষ বাড়তি দামেই কিনছেন। শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য নিয়মিত ফল বা ডাব কিনতে হয়— এমন পরিবারগুলো খুবই  বাড়তি খরচের চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে। সব মিলিয়ে বাজারে ফলের সরবরাহ থাকলেও দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে অস্বস্তিতে  ক্রেতারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ