কালজয়ী গান ‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে’র সঙ্গে রিল বানিয়ে আলোচনায় এসেছেন সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের শিক্ষক বিউটি রানী পাল। শুরুতে কিছু লোক তার সমালোচনা করেছিল। তবে পরে সেটার বিপরীতে দেশজুড়ে তার সমর্থনে সোচ্চার হন সচেতন মানুষেরা। বহু শিক্ষক রীতিমতো সেই গানেই রিল বানিয়ে বিউটি রানীর সমর্থনে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
এ ঘটনার রেশ ধরে নিজের শৈশবের স্মৃতিও টেনে এনেছেন আসিফ। গতকাল রাতে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আসিফ লেখেন, ‘প্রয়াত শ্রীমতি কল্যানী সেন গুপ্তা ছিলেন কুমিল্লা গুলবাগিচা স্কুলের কালচারাল শিক্ষিক, ছিলেন বিদ্রোহী কবির অনুরক্ত। দূরন্তপনার লাগাম টানতে আমাকে যুক্ত করলেন কালচারাল অ্যাক্টিভিটিজে। তিনি আবৃত্তি, নাটিকা, সংগীতের পাশাপাশি ট্রেইন্ড আপ করলেন মিলাদ পড়ানোতেও। কল্যানী আপার তিন বছরের শাসনামলে শাস্তি এড়াতে স্কুলের ছাত্র হিসেবে কম্পিটিশনে অংশ নিতে বাধ্য হয়েছি।’
নানা কারণে মানুষ অস্থিরতায় রয়েছে, তবে এর ফাঁকে কাউকে নিয়ে অকারণ ‘ব্লাইন্ড গেম’ খেলার সুযোগ দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন আসিফ। তিনি লেখেন, ‘আমাদের স্কুল জীবনে শিক্ষা ও ডিসিপ্লিনের পাশাপাশি বিনোদনও ছিল। যতটুকু জেনেছি সরকারের কিছু মন্ত্রী স্কুলে কালচারাল শিক্ষক নিয়োগে ভেটো দিয়েছে, অথচ প্রধানমন্ত্রী নিজেও শিশুদের মননশীল সাংস্কৃতিক বিকাশে আগ্রহী। শহীদ জিয়ার জাতীয়তাবাদী আদর্শের সাথে এ ধরনের সিদ্ধান্ত একদমই ম্যাচ করে না। প্রজন্ম বেড়ে উঠুক আনন্দে ভরপুর কোলাহলময় সুস্থ সুন্দর পরিবেশে। ঐতিহাসিকভাবে শিল্প সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ কোন গ্যাস চেম্বার নয়।’
সবশেষে বিউটি রানী পালকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়েছেন আসিফ।