যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি হয় মারা গেছেন, না হয় খুবই খারাপ অবস্থায় আছেন। ইরানে এই মুহূর্তে কোনো নেতা নেই বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
ট্রাম্প আরও বলেন, “ইরানের নৌবাহিনী বলে আর কিছু নেই, পুরো নৌবাহিনী উপসগারে ডুবে গেছে। তাদের বিমানবাহিনী সম্পূর্ণ মৃত। তাদের যুদ্ধবিমান ধ্বংস এবং সামরিক যোগাযোগের সক্ষমতাও ধ্বংস হয়ে গেছে।”
“এখন আমরা তাদের অস্ত্রের মজুত ধ্বংস করছি। তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন তৈরির কারখানাগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এমনভাবে এসব ধ্বংস করা হচ্ছে যা কোনো দিন কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। তাদের প্রতিরক্ষা শিল্প বলতে আর কিছুই থাকবে না।”
মোজতবা আহত থাকা অবস্থাতেই তাকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচন করে ইরান। মার্কিন বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলায় মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত হয়েছেন। তবে একাধিক ইরানি সূত্রে জানা গেছে, মোজতবা পায়ে আঘাত পেয়েছেন এবং সেই আঘাত প্রাণঘাতী নয়।
যুদ্ধের দ্বাদশ দিনে, অর্থাৎ ১২ মার্চ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আমন্ত্রণে রুশ সামরিক বাহিনীর একটি বিমানে চেপে মস্কোতে যান মোজতবা খামেনি। বর্তমানে মস্কোর এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন তিনি।