প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী বলেছেন, আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান থেকে একটি বিষয় আমি শিখেছি; আপনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে যা-ই করুন না কেন, রায় লিখতে পারবেন না। এটা করা হবে অনুচিত।
প্রধান বিচারপতি বিচারকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমার অভিজ্ঞতায় রায় লিখতে হয় তিনটা জিনিস দিয়ে। প্রথম হচ্ছে, অন দ্য ফ্যাক্টস, কি বিষয় নিয়ে মামলাটা হয়েছে। তারপর সেই ফ্যাক্টের ওপর প্রযোজ্য আইনটা আপনি প্রয়োগ করবেন। কোন আইন; এই মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বা আইনের কোন ধারা প্রযোজ্য। লাস্ট আপনি যখন সিদ্ধান্ত নেবেন, এই ফ্যাক্ট আর আইনের সঙ্গে যে জিনিসটা আমি ব্যবহার করি বা আমার মনে হয় প্রত্যেকটা বিচারকের ব্যবহার করা উচিত। সেটা হচ্ছে আপনার বিবেক।
এই বিবেক কিন্তু আপনি এআই দিয়ে কন্ট্রোল করতে পারবেন না। বিবেক মানুষের নিজের; এটা আপনার একটা স্বপ্রণোদিত, এটা আপনার একটা চিন্তাশক্তি। মানুষ যখন চিন্তাশক্তি হারিয়ে ফেলবে, তখন কিন্তু আমি মনে করি তিনি অনেক ছোট হয়ে যাবে। জাজমেন্টে আপনার নিজের দেখতে হবে, নিজের বুদ্ধি-বিবেক, আইন ব্যবহার করে।
উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন— অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ডিন ড. মোহাম্মদ একরামুল হক। স্বাগত বক্তব্য দেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার তাসনোভা শেলী। স্বাগত বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশের কনটেস্টে এআই ব্যবহার করতে হবে। এআই যেন আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্য ভুলিয়ে না সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।