আচরণবিধি লঙ্ঘনে কর্মীর দায় বর্তাবে প্রার্থীর ওপর

প্রকৃতির সংবাদ ডেস্ক
প্রকাশের সময় বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬

আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা। এসময় কর্মীরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে তার দায় সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর ওপরই বর্তাবে। ঢাকা-১৩ ও ১৫ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে এক মতবিনিময় সভায় তাঁরা এ কথা বলেন। প্রতীক বরাদ্দ উপলক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে এই সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় বক্তারা প্রার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আপনাদের কর্মীদের আচরণবিধি সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। নির্বাচনি পরিবেশ সুন্দর রাখা কেবল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব নয়। এ জন্য প্রার্থীদেরও সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে।

ঢাকা-১৩ ও ১৫ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী বলেন, ‘আগামীকাল থেকে নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা শুরু হবে। আমি আশা করব আপনারা আচরণবিধি মেনে চলবেন। কর্মীদেরও এটি মানতে বলবেন। তারা যদি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে, তবে তার দায় প্রার্থীর ওপরই বর্তাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনী পরিবেশ সুন্দর রাখা কেবল নিরাপত্তা বাহিনীর কাজ নয়। প্রার্থীদেরও এ ব্যাপারে ভূমিকা রাখতে হবে। আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন আছে। তাঁরা নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করবেন।’

মোহাম্মদপুর থানার উপকমিশনার (ডিসি) জুয়েল রানা বলেন, ‘ঢাকা-১৩ আসনে পুলিশের পক্ষ থেকে দায়িত্বে থাকব আমি। এখানে কাজ করা চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে কোনো অনিয়ম হবে না বলে আমি আশ্বস্ত করছি। আমরা এই আসনে কাউকে ছাড় দেব না।’ তিনি প্রার্থীদের আচরণবিধি মেনে চলার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, সবাইকে নিয়ে একটি সুন্দর নির্বাচন করতে চাই।

ডিএমপির মিরপুর জোনের উপকমিশনার ফারজিনা নাসরিন জানান, তিনি তাঁর জোন অনুযায়ী ঢাকা-১৫ আসনে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন।

ঢাকা-১৫ আসনে দায়িত্বরত সেনাবাহিনীর মেজর নাফিসা বলেন, ‘আমরা সার্বক্ষণিক মোতায়েন আছি। আপনাদের নিরাপত্তায় আমরা কাজ করব। তবে আপনাদের প্রতি অনুরোধ, আপনারা আচরণবিধি মেনে চলবেন। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা মব সৃষ্টি করবেন না। আমরা মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়াম ক্যাম্পে আপনাদের নিরাপত্তায় অবস্থান করছি।’

ঢাকা-১৩ আসনে দায়িত্বরত সেনাবাহিনীর মেজর আবু সালেহ মো. ইয়াহিয়া বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচন সুন্দর ও সুষ্ঠু হবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি। তবে পরিবেশ ও নিরাপত্তা ঠিক রাখা কেবল নিরাপত্তা বাহিনীর দায়িত্ব নয়। এখানে প্রার্থীদেরও ভূমিকা রয়েছে। তাঁরা আচরণবিধি মেনে চলবেন বলে আমরা আশা করি। এতে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব হবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ